*** ভিডিওটি ইউটিউবে দেখতে এই পোষ্টের নিচে যান ***
একেকটি গোলার ওজন ছিল ৭ হাজার কিলোগ্রাম। ১৯৪১ সালে ফরাসি সেনার বিরুদ্ধে প্রথম ব্যবহৃত হয় এই দৈত্যাকার জার্মান ট্যাঙ্ক। এই বিপুল ওজনের গোলা ৪৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত প্রতিপক্ষ ঘাঁটিতে নিক্ষেপ করতে সক্ষম ছিল। ১৯৩৯ সালে প্রথম টেস্ট ফায়ারে ‘গুস্তাভ’-এর গোলা একটি ৩ ফুট পুরু লোহার পাতে মোড়া ২৩ ফুট চওড়া কংক্রিটের দেওয়াল গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছিল। ১৯৪২ সালে সেবাস্তপল বাজেয়াপ্ত করার সময় গুস্তাভ থেকে ৪২ বার গোলা নিক্ষেপ করা হয়। ৮০ চাকা বিশিষ্ট এই ‘গুস্তাভ’ ২৪ ঘণ্টায় মোট ১৪ বার গোলা ছুড়তে পারত।
এর ওজন এতটাই বেশি যে এটিকে সড়ক পথে পরিবহন করা সম্ভব ছিল না। এই দৈত্যাকার কামানটি এক জায়গা থেকে অন্যত্র নিয়ে যেতে বিশেষ রেলওয়ে ট্র্যাকের ব্যবহার করা হত। এটি মূলত তৈরি করা হয়েছিল ফ্রান্সের শক্তিশালী ম্যজিনো লাইন গুড়িয়ে দেয়ার জন্য। পরবর্তীতে এটি সোভিয়েত ইউনিয়নে মোতায়েন করা হয় অপারেশন বারবারোসার অধীনে। ব্যয়বহুল এই কামানটির রক্ষণাবেক্ষণ এবং বিমান হামলা থেকে রক্ষা করার জন্য ৪ হাজারের একটি সৈন্যদল মোতায়েন করা হয়েছিল। এছাড়াও মিত্রবাহিনীরা যাতে ভুলে এগুলোকে হামলা না করে বসে, সেজন্যও বিশেষ এক সেনাবাহিনী গঠন করা হয়েছিল। যুদ্ধের শেষ দিকে জার্মারাই এটি ধ্বংস করে দেয়, যাতে সোভিয়েতরা এর প্রযুক্তি হাতে না পায়।

